এছাড়া গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনটি বর্তমানে জাতীয় পার্টির দখলে রয়েছে। এ কারণে আসনটিতে আ.লীগের কোনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। জোটগত সিদ্ধান্তে আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয়া হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।
গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান এমপি, জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিণি, গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান এমপি ও সাদুল্যাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ডা. মো. ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান এমপি ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া। গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের বর্তমান এমপি অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। এ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী। তিনি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও দলের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। কিন্তু স্বতন্ত্র হয়ে অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় পরাজিত হন মনোয়ার হোসেন চৌধুরী।
এদিকে গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের বর্তমান এমপি আবুল কালাম আজাদ মনোনয়ন না পাওয়ায় তার কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে কি প্রতিক্রিয়া হয় সেদিকে সবার নজর থাকলেও তাদের কোনও প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার বলেন, ‘তিনিসহ এ আসনের জন্য দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিল ৯জন। কিন্তু গতবারের দলীয় প্রার্থী মনোয়ার হোসেন চৌধুরীকে এবারও মনোনয়ন দেওয়ায় আমাদের মধ্যে কোনও অনৈক্য নেই। দলের সিদ্ধান্ত মেনে নৌকা মার্কার প্রার্থীকে জয়ী করার জন্য দলের সবাই ঐক্যবদ্ধ আছে।’
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি আনছার আলী প্রামাণিক বলেন, ‘গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বর্তমানে রয়েছেন জাপার এমপি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। চলতি বছরের ১৩ মার্চ উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আফরুজা বারীকে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হন তিনি। জোটগতভাবে সিদ্ধান্ত হওয়ায় এ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিতে পারে আওয়ামী লীগ।’