বুধবার (২৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে টঙ্গীবাড়ী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদের পক্ষের লোকজনের সঙ্গে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রিপন মল্লিকের লোকজনের টঙ্গীবাড়ি বাজার সংলগ্ন কাজী প্লাজা এলাকায় সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। গাড়ি ভাঙচুরসহ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে টঙ্গীবাড়ি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আক্তার মোল্লা ও বেতকা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রিগ্যান শিকদারসহ ১০ জনকে আটক করেছে। আটক অন্যরা হলেন শাহাদাত, আমির হোসেন, বিপ্লব, জনি, এরশাদ, মিজানুর, শহীদ।
টঙ্গীবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন জানান, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জনকে আটক করা হয়। দেশি অস্ত্রসহ ককটেল উদ্ধার করা হয়।’
এ ব্যাপারে বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা বলেন, ‘বিএনপির মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোনও কোন্দল নেই।’ সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সবকিছু দেখে ঠিক করবো মামলা করবো কিনা। আমি এখনও ঠিকভাবে জানতে পারিনি সংঘর্ষে কতজন আহত হয়েছে।’
বিএনপির সহ-সভাপতি রিপন মল্লিককে ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি।
আরও পড়ুন- নাটোরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা নিহত