রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহত খোরশেদ আলম তারাবো পৌরসভার গন্ধবপুর সাইনবোর্ড এলাকার মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার তারাব পৌরসভার যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও একাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকদের সঙ্গে তারাব পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হোসেন আহমেদ রাজিবের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এতে রাতুল হোসেন, খোরশেদ মিয়া, গোলাম মোস্তফা, মোহাম্মদ হোসেন বাচ্চু, সোহরাব হোসেন, আবু তাহের, শরিফ হোসেন, সুরুজ আলী, আজাবুর রহমান, আলী হোসেন, নয়ন মোল্লা, তারিকুল ইসলাম, শাওন হোসেন, মাজহারুল, মেহেদী হাসান, সোহেল, আবদুল হালিম, কাজী মুন্না, রুহুল আমিন, আজিজুল হক, সিফাত হোসেনসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়। গুরুতর আহত রাতুল আহমেদ ও খোরশেদ আলমকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খোরশেদ আলম শুক্রবার ভোরে মারা যান।
এদিকে খোরশেদ মারা যাওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা দেখা দেয়।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত খোরশেদ আলম ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গন্ধপুর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। পুলিশ তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’