নীলফামারীর চার সংসদীয় আসনে ২৬ জনের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। এর মধ্যে নীলফামারী-১ আসনে ১০ জন, নীলফামারী-২ আসনে ছয় জন, নীলফামারী-৩ আসনে পাঁচ জন, নীলফামারী-৪ আসনে পাঁচ জন রয়েছেন।
নীলফামারী-১ (ডেমার-ডিমলা) আসনে সংসদ সদস্য ডিমলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফতাব উদ্দিন সরকার, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ভগ্নিপতি মো. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি, ন্যানসি রহমান কবীর (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি ২০ দলীয় জোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাইফুল ইসলাম, সাবেক সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা হামিদা বানু শোভা (স্বতন্ত্র), জেলা জাপার সহ-সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, ইউনুস আলী (বাসদ), মঞ্জুরুল ইসলাম (জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ), সিরাজুল ইসলামের (বিএনএফ)মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।
নীলফামারী-২ (সদর) আসনে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সামসুজ্জামান (বিএনপি), জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মনিরুজ্জামান মন্টু (২০ দলীয় জোট), জহুরুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), রাবেয়া বেগম (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি), আতাউর রহমান বাবুর (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ) মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।
নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য জলঢাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা (স্বতন্ত্র), জেলা জাপার সহ-সভাপতি রানা মোহাম্মদ সোহেল (জাপা), জেলা জাপার সহসভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য কাজী ফারুক কাদের (জাপা), আমজাদ হোসেন সরকার (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির সুরা সদস্য আজিজুল ইসলামের (জামায়াত ২০ দলীয় জোট) মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।
নীলফামারী -৪ ( সৈয়দপুর কিশোরগঞ্জ) আসনে জেলা জাপার সভাপতি সংসদ সদস্য শওকত চৌধুরী, জাপার চেয়ারম্যান এরশাদের ভাগ্নে আহসান আদেলুর রহমান আদেল (জাপা), কণ্ঠশিল্পী বেবি নাজনিন (বিএনপি), শহিদুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), আব্দুল হাই সরকারের ( ন্যাশনাল পিপলস পার্টি) মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।