নির্বাচন কমিশনের কাছে দেওয়া হলফ নামায় দেখা যায়, ২০০৮ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কক্সবাজার-৪ আসনে মনোয়নপত্র জমা দেন শাহীন আকতার। এ সময় নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেয়া হলফনামায় তার ১৫ ভরি স্বর্ণের দাম ধরা হয় ৪৫ হাজার টাকা। ২০১৮ সালের নির্বাচনে এসেও তিনি একই হিসাব দাখিল করেছেন। অর্থাৎ দীর্ঘ ১১ বছর পরেও তার প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ধরা হয়েছে ৩ হাজার টাকা।
স্বর্ণের দাম না বাড়লেও শাহীন আকতারের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে দ্বিগুণ। বেড়েছে তার স্বামী সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদিরও সম্পদের পরিমাণ।
কক্সবাজার জেলা জুয়েলারি মালিক সমিতির সভাপতি সুভাষ ধর জানান, ২০০৮ সালে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২৩ হাজার টাকা, ২০০৯ সালে দাম ছিল ২৫-২৬ হাজার টাকা। আর বর্তমানে প্রতি ভরির দাম ৪৭ হাজার টাকা। তবে ৯০ দশকের পর প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার টাকা কোনও সময় হয়নি।
কক্সবাজার জেলা নির্বাচনি কর্মকর্তা মোহাম্মদ বশির আহমদ বলেন, ‘চলতি নির্বাচনে প্রার্থীরা নিজের হফলনামায় কে কি দিল সেটি আমাদের দেখার বিষয় নয়। এগুলো দেখার জন্য রয়েছে এনবিআর ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ কারণে আইনে কি আছে এই মুহুর্তে আমি বলতে পারবো না’।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির স্ত্রী শাহীন আক্তারকে একাধিকবার ফোন দিলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।