আসামিরা হলেন– কাহালু উপজেলা চেয়ারম্যান জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা তায়েব আলী, কাহালু পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর জামায়াতকর্মী সাইফুল ইসলাম, কাহালু সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা জামায়াতের আমির আবদুল মোমিন পোদ্দার, জামায়াত কর্মী জাহাঙ্গীর আলম, ফকরুল ইসলাম ও শিবির নেতা রেজওয়ানুল হক।
কাহালু থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ডেভিড হিমাদ্রি বর্মা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, গত ৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুর্বৃত্তরা কাহালু উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ও পাশে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান কাহালু থানায় বিএনপি ও জামায়াতের ২২ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৬০ জনের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন। অজ্ঞাত আসামিদের মধ্যে থেকে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।
ডেভিড হিমাদ্রি বর্মা আরও জানান, পরবর্তীতে জামায়াতের উল্লিখিত ছয় নেতাকর্মী হাইকোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন লাভ করেন। তাদের নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার তাদের জামিনের মেয়াদ শেষ হয়। বুধবার মাওলানা তায়েব আলীসহ ৬ আসামি অবকাশকালীন জেলা ও দায়রা জজ নরেশ চন্দ্র সরকারের আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ তাদের বগুড়া জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়।
২৮ নভেম্বর মাওলানা তায়েব আলী বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ না করায় রিটার্নিং অফিসার তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জামায়াত কর্মী বলেন, ‘সরকার তায়েব আলীর সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের সুযোগ নষ্ট করেই ক্ষান্ত হয়নি; গায়েবি মামলায় তাকে জেল হাজতে পাঠাল।’