এ ঘটনায় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন সরদার মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেছেন।
এ বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সোমবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দুপুর নাগাদ তার উপজেলার প্রায় ১৫-২০টি স্কুলে ওই প্রতারক চক্রটি ল্যাপটপ দেওয়ার কথা বলে চাঁদা দাবি করে। প্রতারকরা একটি স্কুল ছাড়া বাকি স্কুলগুলোতে সফল হয়নি।
জয়রা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আওলাদ হোসেন জানান,সোমবার দুপুরের দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পরিচয় দিয়ে তার মোবাইলে কল আসে। পরে তাকে জানানো হয়, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আপনার সঙ্গে কথা বলবেন। পরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মোবাইল নম্বর থেকে কল করে সরকারিভাবে একটি ল্যাপটপ এসেছে বলে জানায় প্রতারকরা। এজন্য তাকে বিকাশের মাধ্যমে আট হাজার টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়। দুপুর ২টার দিকে তিনি ওই বিকাশ নম্বরে টাকা দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে ল্যাপটপটি আনতে গেলে ঘটনাটি জানাজানি হয়।
পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভুক্তভোগীর সঙ্গে এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে কথা বলেন। ওই ঘটনাটি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মধ্যে জানাজানি হলে পর্যায়ক্রমে করে প্রায় ১৫-২০টি মাধ্যমিক স্কুলের প্রধানরা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে জানান, ওই নম্বর থেকে তাদের কাছে ল্যাপটপ দেওয়ার কথা বলে আট হাজার করে টাকা চাওয়া হয়। কিন্তু তাদের কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে তারা টাকা দেয়নি বলে জানান।
মানিকগঞ্জ সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান নির্বাহী অফিসারের জিডি করার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।