আনন্দ চাকমা সাংবাদিকদের বলেন, ‘পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অধিকার, মর্যাদা, কৃষ্টি-কালচার, স্বকীয়তা রক্ষার জন্য ৩৬ বছর আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিতে যোগদান করি। বিগত ৪ বছর ধরে ইউপিডিএফ (প্রসিত) গ্রুফের নানিয়ারচর সার্কেলের বিচার ও সাংগঠনিক পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলাম। এই দীর্ঘ জীবনে সবসময় ভয় ও আতংক নিয়ে জঙ্গলে জঙ্গলে কাটালেও প্রত্যাশিত সুখ-শান্তি পায়নি। নিজের পরিবারের সঙ্গে সময় দিতে পারিনি। পারিবারিক কোনও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। তারপরেও পাহাড়ি জনগণের মুক্তি ও স্বাধীকার নিয়ে যে স্বপ্ন তাও পূরণ হয়নি। কারণ ইউপিডিএফ নেতারা এখন নিজেরাই শোষক, বিচারহীনতার অগ্রদুত এবং নির্যাতনকারী। তাদের কাছে আজ পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীই নিরাপদ নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছি। আমি সরকারের কাছ থেকে আমার ও আমার পরিবারের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা চাচ্ছি।’