ইশতেহারগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০২০ সালে মধ্যে সব আইডিভুক্ত গ্রামীণ রাস্তা পাকা করা, সব হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় ডাক্তার ও নার্সের উপস্থিতির মাধ্যমে উন্নত সেবা নিশ্চিত করা, মসজিদ-ঈদগাহ মাঠ-মন্দির-এতিমখানার উন্নয়নে আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি করা, ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জয়পুরহাট-২ আসনের সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের কলেজ-মাদ্রাসায় মহানগর মানের উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা চালুকরণ, ২০১৯ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে শিক্ষিত বেকার এবং শিক্ষিত-অশিক্ষিত বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের বিপুল পরিমাণ বহুমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্ব ও দারিদ্রমুক্ত এলাকা প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ইশতেহারের সঙ্গে সমন্বয় করে আমি এলাকার উন্নয়নে ব্যতিক্রমী কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করলে এই এলাকায় ফিতরা নেওয়ারও কোন লোক থাকবে না।’ ইশতেহার ঘোষণা শেষে তিনি এলাকার মানুষের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন।
ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. মজিদ মোল্লার সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাড. নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল পিপি, মোমিন আহম্মেদ জিপি, যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেনসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী সাধারণ মানুষ।