সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী জনসভাস্থল ঘিরে ফেলা হয়েছে বাশের বেড়ায়। সেনাবাহিনী, এসএসএফ, পুলিশ ও ডগ স্কোয়াড দিয়ে চেকিংয়ের পর মাঠ পুরোপুরি খালি করে দেওয়া হয়। বেলা ১২টার আগে মাঠে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ১২টার পর থেকে সভাস্থলে প্রবেশ করতে পারবেন নেতাকর্মীরাসহ সাধারণ মানুষ। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলসহ মাজার এলাকায় সিসি ক্যামেরার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। এমনকি গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মোড়েও সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। এছাড়াও সভাস্থলে প্রবেশের জন্য সিলেট নগরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আগে থেকেই অবস্থান করছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। সিলেটের ছয়টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের সঙ্গে দলের নেতাকর্মীরা সকাল থেকেই সিলেটে অবস্থান করছেন।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) জেদান আল মুসা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফর ঘিরে কয়েক স্থরের নিরাপত্তা বেস্টনি গড়ে তোলা হয়েছে।
এদিকে সিলেট নগরের আলিয়া মাদরাসা মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র করে বাড়ছে জনস্রোত। মিছিলে মিছিলে উত্তাল জনস্রোত গিয়ে মিশছে আলিয়ার মাঠে। ক্রমেই এক জনসমুদ্রে পরিণত হচ্ছে আলিয়া মাদরাসার মাঠ।
আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ জড়ো হচ্ছেন আলিয়ার মাঠে।সিলেট বিভাগের ১৯টি আসন থেকে অধিকাংশ প্রার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর জসভায় যোগদান করার জন্য সকাল থেকেই সিলেটে অবস্থান করছেন। প্রধানমন্ত্রী জনসভা থেকে দলের নেতাকর্মীদেরকে কী নির্দেশনা দেবেন সেজন্য মাদরাসা মাঠে অবস্থান করছেন নেতাকর্মীরা।