স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে স্থানীয় ভূঁইয়ারহাট বাজারে নির্বাচনি প্রচারণা ও পথসভা করছিলেন বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ শাহজাহান। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে বাজারে আসলে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তাদের উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় আওয়ামী লীগের নির্বাচনি অফিস ও কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি শান্ত হয়। অপরদিকে দুপুর ১২টার দিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের একটি মিছিল আসার খবর পেয়ে কাঞ্চন বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। খবর পেয়ে বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অন্যত্র চলে যায়। টহলরত বিজিবি চলে গেলে বিএনপির মিছিল থেকে পথচারীদের ওপর এবং আওয়ামী লীগের নির্বাচনি অফিসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে।
নোয়াখালী-৪ আসনের বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে ভূঁইয়ারহাটে পথসভা শেষে বের হওয়ার পথে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তার অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক জানান, ধানের শীষ মার্কার কর্মীরা ভূঁইয়ারহাট বাজার ও কাঞ্চন বাজারে নৌকা মার্কার নির্বাচনি অফিসে অতর্কিত হামলা চালিয়ে অন্তত ১০ জন নেতাকর্মীকে পিটিয়ে জখম করেছে। এসময় তারা নির্বাচনি অফিসসহ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। তিনি হামলাকারীদের শাস্তির দাবি জানান।
ওসি নিজাম উদ্দিন জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।