খুলনা জেলা বিএনপির সভাপতি এস এম শফিকুল আলম মনা এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীরা নির্বাচনি এলাকায় প্রচারণা চালাতে গিয়ে হামলা, মামলা ও গণগ্রেফতারের শিকার হচ্ছেন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেলার ৯টি থানায় ৫৩টি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তথাকথিত ও পরিকল্পিত নাশকতার নাটক সাজিয়ে এ সব মামলা দায়ের করে গ্রেফতার চালানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এ পর্যন্ত দাকোপে ১টি, বটিয়াঘাটায় ৪টি, রূপসা থানায় ৭টি, তেরখাদা থানায় ৩টি, দিঘলিয়া থানায় ৪টি, ফুলতলা থানায় ৫টি, ডুমুরিয়া থানায় ৭টি, কয়রা থানায় ১৫টি ও পাইকগাছা থানায় ৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ সব মামলার মধ্যে দিঘলিয়া থানায় ৬৮ জন, ফুলতলা থানায় ৭ জন, ডুমুরিয়া থানায় ১৫ জন, কয়রা থানায় ৩৫০ জন ও পাইকগাছা থানায় ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি কারাগারে আটক নেতা-কর্মীদের মুক্তির আহ্বান জানান।
মামলা ও গ্রেফতার বিষয়ে খুলনার পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ বলেন, ‘বিএনপির অভিযোগ সঠিক না। তফসিল ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত খুলনা জেলার কোনও থানায় রাজনৈতিক কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি। বিএনপি নেতারা মামলা ও আসামিদের নিয়ে কথা বললে সেটা স্পষ্টভাবে বলতে হবে। ঢালাওভাবে বললে তা ঠিক হবে না।’