তৈমুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘একটি মোটরসাইকেল বহর থেকে এসে হামলা করে চেয়ার টেবিলসহ আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয়। পোস্টারগুলো মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে পা দিয়ে নষ্ট করে দেওয়া হয় ও কর্মীদের উপর চড়াও হয়ে মারধরও করা হয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, ‘এ পর্যন্ত বিএনপির ২০টি নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৩২ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি আশিকুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এটা ওদের অফিসের খরচ নিয়ে নিজেদের সংঘর্ষের ফল বলে আমরা জানতে পেরেছি। তাছাড়া বিএনপির দিক থেকে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ করা হলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।’