রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুর রাজ্জাক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, নিহত মেরাজ আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন। তবে বিএনপির দাবি, মেরাজ তাদের দলীয় কর্মী ছিল।
নিহত মেরাজ আলী জাহানাবাদ ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
জানা গেছে, বাকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় প্রতিপক্ষের হাসুয়ার আঘাতে মেরাজ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন দাবি করে বলেন, ‘মেরাজ আওয়ামী লীগের কর্মী না, আমাদের কর্মী।’জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান চঞ্চলও মেরাজকে নিজেদের দলীয় কর্মী বলে দাবি করেছেন।