নিহতদের স্বজনদের উদ্ধৃতি দিয়ে ভোলার পুলিশ সুপার মোকতার হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ছয় মাস আগে সুরমার সঙ্গে জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের রফিকের বিয়ে হয়। তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। এ নিয়ে বিচার-সালিশও হয়। ১০ দিন আগে সুরমাকে ফেলে তার স্বামী চলে গেলে সুরমা চরভুতা ইউনিয়নে বড় বোন আংকুরার বাড়িতে ওঠেন। শুক্রবার রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তারা ঘুমিয়েছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে আগুন ধরিয়ে দেয়।
আগুনে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই সুরমা মারা যান। সুরমার বোন আংকুরা ও তার মেয়ে খাদিজা আগুনে মারাত্মকভাবে আহত হন। চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ভোলা এবং পরে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকাল ১১টায় ৭ বছর বয়সী খাদিজা মারা যায়। আহত আংকুরার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্বামী রফিক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। পুলিশ রফিককে ধরার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।