দুই মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (২৮ জানুয়ারি) উচ্চ আদালত থেকে জামিন আদেশ পাওয়ার পর চাঁদপুর জেলা কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের প্রধান আইনজীবী কামরুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘১৮টি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় গত বছরের ২৩ নভেম্বর তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন চাইলেও তা নাকচ হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতে এই মামলাগুলো তোলা হলে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সবগুলো মামলাতেই জামিন প্রদান করেন মিলনকে। ওই জামিননামা সোমবার চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সরওয়ার আলমের আদালতে উপস্থাপন করলে মিলনকে মুক্তি দিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন তিনি। পরবর্তীতে আমি এবং আরেক আইনজীবী মাঈনুল ইসলাম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিলনের স্ত্রী নাজমুন নাহার বেবীসহ কয়েকজ জেলগেটে গিয়ে তাকে নিয়ে আসি।’
প্রসঙ্গত, এর আগে গত বছরের ২৩ নভেম্বর রাতে চট্টগ্রামের চট্টেশ্বরী রোডে এক আত্মীয়র বাড়ি থেকে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে গ্রেফতারের পর কারাগারে পাঠানো হয়। তার বিরুদ্ধে ১৮টি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল।
উল্লেখ্য, এর আগে এহছানুল হক মিলনকে ২০১০ সালের ১৪ মার্চ মান্নান মাস্টার হত্যা মামলা, ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনতাই, চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলায় আটক করা হয়। সেসময় তিনি ১৪ মাস ২৬ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হন। পরে তিনি চিকিৎসা এবং ওমরা হজ করতে মালয়েশিয়াসহ বিদেশে অবস্থান করেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কিছু দিন আগে বাংলাদেশে আসেন তিনি।