নুসরাত চবির ইংরেজি বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি বিবাহিত। তার চার বছর বয়সী মেয়ে সন্তান রয়েছে। তিনি মিরসরাই উপজেলার খৈয়াছড়া গ্রামের মৃত কবির হোসেন চৌধুরীর মেয়ে।
গত ২১ জানুয়ারি চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার সময় তিনি ভাটিয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হন। ২৩ জানুয়ারি অস্ত্রোপচারের পর কোমায় চলে যান তিনি।
নুসরাতের স্বামী ফখরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘২১ তারিখ অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষা ছিল। ওই পরীক্ষা দিতে আসার সময় ভাটিয়ারি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার মারাত্মকভাবে আহত হয় নুসরাত। তাকে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতাল ও পরে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।’
প্রসঙ্গত, তাৎক্ষণিক অপারেশন করাতে না পারায় নুসরাতের মস্তিষ্কের ভিতরের অংশে রক্ত জমাট বেঁধে ব্রেইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা সময় নিয়ে ডাক্তাররা অপারেশন করেন। তখন থেকেই নুসরাত কোমায় এবং আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।