উপমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতাগ্রহণের পর থেকেই নদনদী নিয়ে কাজ শুরু করেছে। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই কীভাবে নদীভাঙন রোধ করা যায় সে লক্ষ্যে কাজ করছে। নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়ার জন্য আমি বিভিন্ন ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করছি।’ উপমন্ত্রী নাগরপুরের যমুনা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা, উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নের পাইকশা, মাইঝাইলসহ সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা ও সহবতপুর ইউনিয়নের নন্দপাড়ায় ধলেশ্বরী নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলার পরামর্শ দেন। পরে স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান। পরে উপমন্ত্রী নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ধলেশ্বরী নদীর ড্রেজিং কার্যক্রম দেখতে যান।
এসময় তার সঙ্গে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মাহফুজুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক এস এম শফিকুল হক, নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম, দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. নাদিরা আখতার, নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কুদরত আলী, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম শিবলী সাদিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।