নিহত গৃহবধূর নাম আঁখি বসু (২০)। তিনি যশোরের কেশবপুর থানার গড়ভাঙা গ্রামের গোবিন্দ বসু ও জোসনা বসুর মেয়ে।
নিহতের বাবা গোবিন্দ বসু অভিযোগ করেন, তার মেয়ে আঁখি বসুকে হত্যা করেছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর গ্রামের এস কে বোস, তার স্ত্রী অশোকা বোস ও ছেলে অরূপ বোস (২৫)। তিনি জানান, প্রায় দেড় বছর আগে অরূপ বোসের সঙ্গে আঁখির বিয়ে দেন। বিয়ের পর ছেলে ও বাবা দুজনই যৌন নির্যাতন করতো আঁখির ওপর। তাদের এ অনৈতিক কাজে সহযোগিতা করতো শাশুড়ি অশোকা বোস। তারা বিভিন্নভাবে আঁখির ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিল।
গোবিন্দ বসু দাবি করেন, মঙ্গলবার সকালে আঁখিকে নির্যাতনের পর পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মুখে বিষ ঢেলে দেয় এস কে বোস ও তার ছেলে অরূপ বোস। এরপর মৃতদেহ ঘরের সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে রেখে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। প্রতিবেশীরা বিষয়টি বুঝতে পেরে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর জনতার সহায়তায় আঁখির স্বামী অরূপ, শ্বশুর এস কে বোস ও শাশুড়ি অশোকা বোসকে আটক করে।
সাতক্ষীরা সদর থানার এস আই হাসানুজ্জামান, এএসআই শিল্লুর রহমান, এএসআই কুতুবউদ্দিন ঘটনাস্থল থেকে জানান, লাশের সুরতহাল শেষ হয়েছে। নির্যাতন করে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।