নিহতরা হলেন, বিলাহাসুরা গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের ছেলে নেজাম উদ্দিন (৪২) ও জাহাঙ্গীরের ছেলে আজিজুল হক প্রকাশ রাখাল (২২)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পেকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মমতাজুল ইসলাম স্থানীয় শওকত মিয়ার ৩৪ একর জমি দখল করে রেখেছিল। মমতাজের দখলে থাকা সম্পত্তি ফিরে পেতে শওকত মিয়া একই গ্রামের আলমগীর ও তার ভাগ্নে জালালের সঙ্গে চুক্তি করেন। চুক্তির পর থেকে সেই সম্পত্তি উদ্ধারে মরিয়া হয়ে যায় আলমগীর। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। গত তিনদিন আগে আলমগীর ও জালাল চকরিয়া থেকে কিছু ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে বিরোধপূর্ণ জায়গা দখলে নেন। তারই জেরে শনিবার দুই পক্ষের গোলাগুলিতে মমতাজ গ্রুপের নেজাম ও অপরপক্ষের আজিজ নিহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় ৬টি দেশীয় লম্বা বন্দুক, ৩টি মোটরসাইকেল ও ১টি জিপ গাড়ি জব্দ করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে ১১ জনকে আটক করা হয়।
পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ( আরএমও) ডা. মো. মুজিবুর রহমান বলেন, দুই জনের মৃতদেহ পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মর্গে রাখা হয়েছে।
পেকুয়া থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশের অভিযান এখনও চলমান রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।