আহতরা হলেন, অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অনিক, লোকপ্রশাসন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আসিফ, মারুফ। এদের মধ্যে অনিক শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদর রুনুর অনুসারী। অন্যদিকে আসিফ ও মারুফ সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার অনুসারী।
ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাশ বাংলা মাঠে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে খেলার মাঠে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মারপিটে জড়িয়ে পড়ে। পরে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মারুফ ও আসিফ টুকিটাকি চত্বরে ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সজলের সঙ্গে দেখা করতে আসে। দেখা করে যাওয়া সময় আগে থেকে টুকিটাকিতে বসে থাকা অনিকসহ আরও কয়েকজন রজবের দোকানে (শহীদুল্লাহ কলা ভবনের সামনে) গেলে তাদের ওপর হামলা চালায় অনিকসহ কয়েকজন। এ ঘটনার জেরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে জোহা চত্বরে অনিককে একা পেয়ে তার ওপর হামলা চালায় মারুফের ১০-১৫জন বন্ধু। দুই দফা মারধরের পর ক্যাম্পাসে থমথমে পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আহত হওয়া অনিক বলেন, ‘খেলাধূলা নিয়ে দুই-একজনের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল। তেমন কিছু না।’
ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের বিষয়টি অস্বীকার করে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কিবরিয়া বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোনোমিক্স ও পাবলিক এডমিনেস্ট্রেশন বিভাগের ছোট ভাইদের মধ্যে সমস্যা হয়েছে। আমরা তার সমাধান করে দিয়েছি।’
এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, ‘ছোট ভাইদের ডিপার্টমেন্টের খেলা নিয়ে সমস্যা হয়েছে। আমি ও কিবরিয়া ভাই বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছি।’ অনিক তার অনুসারী কি না জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টর লুৎফর রহমান বলেন, ‘খেলাকে কেন্দ্র করে অর্থনীতি বিভাগ ও লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমস্যা হয়েছে শোনার পর পুলিশ পাঠিয়েছি। সমস্যা সমাধানের জন্য রুনু ও কিবরিয়াকে ফোন করে বলেছি।’