মাসুম বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের ধূপতি গ্রামের আহম্মদ খানের ছেলে।
মাসুমের চাচাতো ভাই মামুন খান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বিকাল ৫টার দিকে নতুন কেনা নছিমন মাসুম নিজেই চালাচ্ছিলেন। এ সময় নসিমন উল্টে গাছের সঙ্গে মাসুমের শরীর থেতলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বরিশালে রেফার্ড করেন। অ্যাম্বুলেন্সযোগে সেখানে যাওয়ার পথে মাসুম মারা যান।
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক সিদ্ধার্থ বরাল বলেন, ‘মাসুমকে গুরুতর আহত অবস্থায় বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এ সময় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।’
তিনি আরও জানান, ভিকটিমের পেটের নিচের অংশ ফেটে গিয়েছিলো। অনেক রক্তক্ষরণ হয়েছে। মাথায়ও প্রচণ্ড আঘাত লেগেছিলো।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির মোহাম্মদ হোসেন জানান, মাসুমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।