শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে বগুড়ার ১২ উপজেলার নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রশাসন ও নির্বাচন অফিস ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। রবিবার (১৭ মার্চ) সকাল থেকে ব্যালট বাক্স, ব্যালট ও অন্য সরঞ্জাম কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়। ২৫ প্লাটুন বিজিবি সদস্য ছাড়াও বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আনসার দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া থাকছে মোবাইল টিম, স্টাইকিং ফোর্স ও স্টান্ডবাই টিম।
জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ ও অন্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দ্বিতীয় পর্যায়ের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বগুড়ার ১২ উপজেলায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্স ও অন্য সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসারদের হাতে এসব তুলে দেওয়া হয়েছে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, আজ (সোমবার) ১২ উপজেলায় ৯৫৪ কেন্দ্রের ৬ হাজার ৬০২ বুথে ভোটগ্রহণ হবে। মোট ভোটার ২৫ লাখ ৩৮ হাজার ১৫৬ জন। এর মধ্যে নারী ১২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৩৯ জন।
শেরপুর ও আদমদীঘি উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। অন্য ১০ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪১ জন, ১১ উপজেলায় ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৫০ জন ও ১২ উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৪৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদিকে, দলীয় নির্দেশ অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়া ও সহযোগিতার দায়ে বিএনপির ৩০ নেতাকর্মীকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বগুড়ার ডিএসবির পুলিশ সুপার আবদুল জলিল জানান, ৯৫৪ কেন্দ্রের মধ্যে ৬৬৬টি ঝুঁকিপূর্ণ (গুরুত্বপূর্ণ) ও ২৮৮টি সাধারণ। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে দুইজন এবং সাধারণ কেন্দ্রে একজন করে পুলিশ কর্মকর্তাসহ জেলায় মোট প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ১২ জন আনসার সদস্য থাকবেন। একজন করে ইন্সপেক্টরের নেতৃত্বে ১০৭টি মোবাইল টিম, ২৪টি স্টাইকিং ফোর্স এবং ১০০ সদস্যের দু’টি স্টান্ডবাই টিম থাকছে। এ ছাড়া, ২৫ প্লাটুন বিজিবি সদস্য কাজ করবে।