ধামইরহাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুব আলম বলেন, ’১২ জনকে এজাহার নামীয় এবং ২৫-৩০জনকে অজ্ঞাত আসামি করে দুলালী পাহান বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই জনকে আটক করে। বর্তমানে ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
গত রবিবার রাত ১টার দিকে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি মুখোশ পরিহিত দল নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের বস্তাবর কাগজকুটা গ্রামের ভূমিহীন ও আদিবাসীদের ঘরবাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে ঘরগুলো আগুনে পুড়ে যায়। সন্ত্রাসীরা ধারালো বড়, হাসুয়া, কুড়াল, তীর ধনুক, লাঠি দিয়ে লোকজনকে কোপাতে থাকে এবং পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ভূমিহীন শান্তি পাহানের হাত ভেঙে যায় এবং তার ৫ বছরের ছেলে আকাশ মারাত্মক আহত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ধান, চাউল, কাপড় চোপড়, হাঁস-মুরগী, ছাগল, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন পুড়ে যায় এবং অনেক মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট হয়।
বর্তমানে ঘরবাড়ী হারানো মানুষ গুলো পুকুরের পার্শে ওই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের নির্মাণাধীন মুরগী শেডে আশ্রয় নিয়েছে।
ঘটনার সুষ্টু বিচারের দাবিতে গত সোমবার ক্ষতিগ্রস্ত মনা পাহানের স্ত্রী দুলালী পাহান বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ বস্তাবর গ্রামের আকতার হোসেনের ছেলে মোশারফ হোসেন এবং চককালু গ্রামের মোতারফ হোসেনের ছেলে মহব্বত হোসেনকে আটক করে।