থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৯ মার্চ) রাত ৯টার দিকে অর্জুন, তার স্ত্রী ও মেয়ে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে যান। প্রায় এক ঘণ্টা পর একসঙ্গে তিনজনের বমি ও পেটব্যথা শুরু হয়। রাত ১২টার দিকে তাদের মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রাত ৩টার দিকে অনন্যার মৃত্যু হয়। শনিবার (৩০ মার্চ) সকালে নওগাঁ সদর হাসপাতালে তিথী রাণীর এবং নওগাঁ থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর অর্জুনের মৃত হয়।
অর্জুনের শাশুড়ি যমুনা রাণী বলেন, ‘রাতে আমার মেয়ে, জামাই ও নাতনি মাছ-সবজির তরকারি দিয়ে ভাত এবং বাজার থেকে কিনে আনা দই খায়। তার প্রায় এক ঘণ্টা পর তাদের বমি ও পেট ব্যথা শুরু হয়। অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। দইয়ের মধ্যে কোনও একটা সমস্যা ছিল বলে মনে হচ্ছে।’
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। নওগাঁ সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল আক্তার বলেন, ‘মৃতের স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হতে পারে।’