নিহতের ছোট ভাই মো. ওসমান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সকাল ৮টায় মালয়েশিয়া থেকে মোস্তফার সহকর্মী শরিফ ফোনে দুর্ঘটনা ও নিহত হওয়ার সংবাদ দেন। নয় মাস আগে কৃষিজমি বিক্রি করে ছয় লাখ টাকা খরচ করে মোস্তফা পাড়ি জমান মালয়েশিয়ায়। তিনি কোরআনে হাফেজ ছিলেন। তারা চার ভাইবোন।
কৃষক পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলে গোলাম মোস্তফাকে হারিয়ে গোটা পরিবার শোকের সাগরে ভাসছে। তার বাবা নুর মোহাম্মদ মোল্লা ছেলের লাশ দ্রুত দেশে আনার আকুতি জানান।
মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে দাবি জানান এলাকাবাসী।
মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ স্ট্রেইট টাইমস তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রবিবার রাত ১১টা ১০ মিনিটে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় গাড়ির চালকসহ ১০ জন নিহত হন। বাসটিতে মোট ৪৩ যাত্রী ছিল। যাত্রীদের সবাই এমএএস কার্গো কমপ্লেক্সের চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক। নিলাই থেকে তাদের কর্মস্থল নেগরি সেমবিলানে আসার পথে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি খাদে পড়ে।
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের ৫ জন বাংলাদেশি