আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পৌনে দুই ঘণ্টার সড়ক অবরোধ শেষে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার দুপুর ১টায় এই আল্টিমেটাম শেষ হয়। ভিসি পদত্যাগ বা ছুটির লিখিত আবেদন না করলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান বিক্ষুব্ধরা।
দুপুর ১টার দিকে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভ চলাকালে কিছু সময়ের জন্য দুই প্রান্তে যানবাহন আটকা পড়ে। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা সড়ক থেকে ক্যাম্পাসে ফিরে গেলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এদিকে শিক্ষার্থীদের এই দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে ১২ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ। বেলা সাড়ে ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে তারা সময় উপযোগী সার্ভিস রুল ও নীতিমালা সংশোধন করে পদোন্নতিসহ ১২ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানান।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না জানানোর প্রতিবাদ করলে ভিসি শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ কটূক্তি করেন। এর প্রতিবাদ ও প্রত্যাহারসহ ১০ দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। গত ২৯ মার্চ ভিসি তার বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। এতে সন্তুষ্ট না হওয়ায় ভিসির পদত্যাগের একদফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।