খুলনার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক আবুল হোসেন জানান, অ্যামোনিয়া গ্যাস লিকেজ হয়েছিল। ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এতে প্রতিষ্ঠানের কারও ক্ষতি হয়নি। তবে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ায় বেশ কিছু লোক অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
রূপসা স্ট্রান্ড রোডের ইনসাফ নার্সিংয়ের ম্যানেজার হারুন অর রশীদ বলেন, ঘটনার পর পর ১৫ থেকে ২০ জন লোক অ্যামোনিয়া গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে এখানে আসে। তাদের প্রাথমিক সাপোর্ট দিয়ে সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বেলায়েত হোসেন সড়কের মো. লিটন বলেন, ওই গ্যাস ইস্পাহানি সড়কের ১ ও ২নং লেন, বেলায়েত হোসেন সড়ক ও রূপসা স্ট্রান্ড রোডের ১ম গলি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। গ্যাসে আক্রান্ত মনিরকে (৩০) ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
ইস্পাহানি সড়কের দ্বিতীয় লেনের বাসিন্দা করিমন বেগম বলেন, আগেও এ ধরনের গ্যাস লিকেজ এখানে হয়েছে। আজকেরটা বেশি ভয়াবহ। আবাসিক এলাকায় এ ধরনের প্রতিষ্ঠান থাকাই উচিত না।
এটলাস সি ফুডের মেশিনরু ম হেলপার ওহিদুল আলম বলেন, গ্যাস লাইনের বাল্বের পাশে পাইপ লিকেজ হয়ে অ্যামোনিয়া গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে তা আটকে ফেলি।