বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম বদিউজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, শিবা হাড়ি শহরের চকসুত্রাপুর সুইপার কলোনির মৃত খুটরা হাড়ির ছেলে। ২০০৫ সালের ২৪ এপ্রিল ওই কলোনিতে রনি বাঁশফোঁড় (২০) নামে এক তরুণ খুন হয়। এ ঘটনায় সদর থানায় দায়ের করা মামলায় শিবা হাড়িকে একমাত্র আসামি করা হয়। ঘটনার পরপরই শিবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরুদ্দেশ হয়েছিল। তদন্তকারী কর্মকর্তা পলাতক আসামি শিবার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন। বগুড়ার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২০১৭ সালের ১৩ জুন তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
ওসি আরও জানান, গোপন সূত্রে তিনি জানতে পারেন শিবা হাড়ি নিজের নাম পরিবর্তন করে সেলিম করেছে। তবে বাবার নাম অপরিবর্তিত রেখে নাটোর টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে সুইপার পদে চাকরি করছে। প্রায় ১৫ দিন অনুসন্ধান শেষে সোমবার সকাল ১০টার দিকে তাকে নাটোর থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।