ঘটনাস্থলে থাকা হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। লাইনচ্যুত হওয়া তিনটি ওয়াগনের একটি থেকে তেল গড়িয়ে পড়েছে বলে তিনি জানান।
রুহুল আমিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হাটহাজারী পাওয়ার স্টেশনের জন্য তেল নিয়ে যাওয়ার সময় ওয়াগনগুলো লাইনচ্যুত হয়। ওয়াগন থেকে গড়িয়ে পড়া তেল হালদা নদীতে যেন মিশতে না পারে সেজন্য আমরা ইতোমধ্যে চেনখালী খালের একপাশ থেকে বাঁধ দেওয়া শুরু করেছি।’
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের ব্যবস্থাপক বোরহান উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ওই তিনটি ওয়াগনে ২৫ টন করে মোট ৭৫ টন তেল মজুদ ছিল। এর মধ্যে একটি ওয়াগন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওয়াগনগুলো উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে কাজ করছে।’