ট্রাফিক ইন্সপেক্টর রাশেদুল ইসলাম জানান, কনস্টেবল নুরুল ইসলাম পাবনার সুজানগর উপজেলার বনকোলা গ্রামের মৃত আরশেদ আলী শেখের ছেলে। তিনি চার কন্যা সন্তানের জনক। রাশেদুল বগুড়া সদর ট্রাফিক ফাঁড়ির অধীনে মোকামতলা বন্দরে কর্মরত ছিলেন। সোমবার রাত ৯টার দিকে মোকামতলা বন্দরের সোনাতলা সড়কের মোড়ে ডিউটিতে ছিলেন। এ সময় রংপুরগামী অজ্ঞাত একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। তাকে প্রথমে ঠেঙ্গামারা এলাকায় টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। শজিমেক হাসপাতালের আইসিইউতে জায়গা না থাকায় লাইফ সাপোর্টের জন্য তাকে বগুড়া মাঝিরা সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বিকাল ৩টা ৫ মিনিটে নুরুল ইসলাম মারা যান।
ট্রাফিক পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে নুরুল ইসলামের মরদেহ বগুড়া পুলিশ লাইন্সে আনা হয়। সেখানে জানাজার পর গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।