বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) রাঙামাটির ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, ‘কাপ্তাই হ্রদে কার্প প্রজাতি মা মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করার জন্য ডিম ছাড়ার মৌসুম মাছ ধরা বন্ধ রাখা প্রয়োজন। কাপ্তাই হ্রদ দেশের কার্প জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজননের একটি অন্যতম স্থান। এ সময় মাছ শিকার বন্ধে কাপ্তাই হ্রদে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। স্থানীয় বরফ কলগুলোও এসময় বন্ধ থাকবে।’
তিনি আরও জানান, ‘এখানকার প্রায় ২০ হাজার জেলে কাপ্তাই হ্রদ থেকে মৎস্য আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। আমরা এ বছর খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের ডিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করবো। গত ১৭-১৮ অর্থ বছরে ১০ হাজার ১৫২ মেট্রিক টন মৎস্য আহরণের বিপরীতে ১৩ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকার রাজস্ব আদায় করা হয়েছিল।’
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, ‘কার্প জাতীয় মাছের বংশবৃদ্ধি, হ্রদে অবমুক্ত করা পোনা মাছের সুষ্ঠু বৃদ্ধি, মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিতকরণে ১ মে থেকে আগামী তিনমাস কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। মাছ শিকার বন্ধে নৌ পুলিশের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ টিমও কাজ করে যাবে। এসময় কেউ হ্রদে মৎস্য আহরণ করলে অপরাধ অনুযায়ী তাকে দণ্ড দেওয়া হবে।’