উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার নির্দেশ দিয়েছেন, সব আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি সেগুলোর চাবি দায়িত্বশীল লোকদের কাছে রাখতে হবে। যাতে সময় মতো আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয় এবং মানুষ সঠিকভাবে সেখানে উঠতে পারে। এছাড়া প্রত্যেক মসজিদের মাইকে সতর্কতা বার্তা প্রচারের জন্য ইমাম ও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব দেন তিনি।
এদিকে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জীবিতেষ বিশ্বাসের নেতৃত্বে গঠিত একটি মেডিক্যাল টিমও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলা কন্ট্রোল রুমের সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকছেন উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাহিদুজ্জামান।
ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বনবিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান। তিনি জানান, বনপ্রহীদের ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি নিয়ে নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে। যে সব দর্শনার্থী এখনও বিভিন্ন নৌযানে করে বনের ভেতরে অবস্থান করছে তাদেরও নিরাপদে সরিয়ে দিতে বনপ্রহরীদের নিদের্শ দেওয়া হয়েছে।