এদিকে পিরোজপুরে অবস্থানরত গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ফণীর প্রভাব মোকাবিলার বিষয়টি তদারকি করছেন।
ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতির পরিমাণ যাতে কমানো যায় এজন্য জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (২ মে) দুপুরে ও বিকালে জরুরি দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় পিরোজপুর পৌর এলাকাসহ উপজেলা পর্যায়ে মাইকিং করে ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ সংকেত প্রচার, জেলার সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল, রেডক্রিসেন্ট-সিপিপি স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয়করণ, পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুত রাখা, ফিসিং ট্রলার ও জেলেদের উপকূলবর্তী নিরাপদ স্থানে রাখাসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এছাড়া ৬৫টি মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি জেলাসহ সাতটি উপজেলায় আটটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে এবং প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২২২টি সাইক্লোন শেল্টার।
জেলা প্রশাসক বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, দুর্যোগ পরবর্তী সময় মোকাবিলার জন্য দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ২০০ টন চাল, দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে জেলা প্রশাসন।
পিরোজপুর জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সম্পাদক ও মৎস ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন জানান, পাড়ের হাট মৎস সমিতির আওতাভুক্ত সব ট্রলারের মাঝিমাল্লা নিরাপদে রয়েছেন। জোয়ারের সময় নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখন তা কমে গেছে।