প্রকৌশলীরা জানান, ৫-এফ স্প্যানটি পদ্মা সেতুর ২০ ও ২১ নম্বর পিলারে অস্থায়ীভাবে বসানো হয়েছে। সোমবার ১২ টা ৪০ মিনিটের দিকে স্প্যান বসানো হয়। পরে স্প্যানটি সুবিধাজনক সময়ে ২৪ ও ২৫ নম্বর পিলারে বসানো হবে।
এর আগে স্প্যান বসানোর লক্ষ্যে সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি ৩ হাজার ৬০০ টন ধারন ক্ষমতার তিয়ান-ই ক্রেনে করে ২০ ও ২১ নম্বর পিলারের উদ্দেশে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে রওনা দেয়। স্প্যান ৫-এফ প্রায় এক ঘণ্টায় কাঙ্ক্ষিত পিলার এলাকায় পৌঁছায়। এটি হবে অস্থায়ীভাবে বসানো সেতুর দ্বিতীয় স্প্যান। এছাড়াও, মাওয়া প্রান্তে আরেকটি অস্থায়ী স্প্যান রাখা আছে।
জাজিরাপ্রান্তে সেতুর ১৩৫০ মিটার ও মাওয়াপ্রান্তের একটি স্থায়ী ও একটি অস্থায়ী স্প্যান মিলে মোট ৩০০ মিটার এবং সেতুর মাঝ বরাবর ৫-এফ স্প্যানটি অস্থায়ীভাবে বসানো শেষ হওয়ায় সেতুর মোট ১৮০০ মিটার দৃশ্যমান হলো। তবে স্প্যানগুলো ভিন্ন ভিন্ন মডিউলে বসানোর কারণে দৃশ্যমান অংশগুলো এক সারিতে নয়, বরং বিচ্ছিন্নভাবে থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বসানো হয় প্রথম স্প্যান। এর প্রায় চার মাস পর ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় স্প্যানটি বসে। এর দেড় মাস পর ১১ মার্চ জাজিরা প্রান্তে তৃতীয় স্প্যান বসানো হয়। এর ২ মাস পর ১৩ মে বসে চতুর্থ স্প্যান। এরপর এক মাস ১৬ দিনের মাথায় পঞ্চম স্প্যানটি বসে ২৯ জুন। ৬ মাস ২৫ দিনের মাথায় ২৩ জানুয়ারি বসে ষষ্ঠ স্প্যানটি। গত ২০ ফেব্রুয়ারি ৩৫ ও ৩৬ নম্বর পিলারে বসে জাজিরাপ্রান্তের সপ্তম স্প্যান। ২২ মার্চ বসে অষ্টম স্প্যান এবং মাওয়াপ্রান্তে গত ১০ এপ্রিল বসে নবম স্প্যান। জাজিরাপ্রান্তে মাত্র ১৩ দিনের ব্যবধানে ২২ এপ্রিল স্থায়ীভাবে বসে দশম স্প্যান।
৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুতে ৪২টি পিলারের ওপর বসবে ৪১টি স্প্যান।