ঘূর্ণিঝড়ের পূর্ব প্রস্তুতি থাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: আমু

বরগুনায় আমির হোসেন আমুআওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু বলেছেন, ‘বিগত বছরগুলোতে ছোটখাটো বন্যায় দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও গত কয়েক বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আগাম প্রস্তুতি থাকায় তেমন কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। পূর্ব প্রস্তুতি থাকায় ফণীর আঘাতেও ক্ষতিগ্রস্ত হননি আমাদের উপকূলবাসী।’

সোমবার (৬ মে) বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণের সময় স্থানীয় চরদুয়ানী এলাকায় এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

এসময় আমু আরও বলেন, ‘আজকে যারা সমালোচনা করেন, ১৯৯১ সালে যারা ক্ষমতায় ছিলেন, তখন একটা জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল। শুধু চট্টগ্রামেই বহু লোক মারা গিয়েছিল। সেই লোকদের দাফন করার মতো ব্যবস্থা ছিল না। তখন পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল শেয়াল কুকুরে লাশ ছিড়ে খাচ্ছে, সমুদ্রে লাশ ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে, পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই ছিল সেই তৎকালীন সরকারের অব্যবস্থাপনা। তখন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সংসদে বলেছিলেন, যত লোক মারা যাওয়ার কথা ছিল তত লোক মারা যায়নি। এই হল সেই সময়ের বিএনপির অবস্থা।’

পথসভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আবজাল হোসেন, বরগুনা-১ আসনের এমপি অ্যাড. ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-২ আসনের এমপি শওকত হাসানুর রহমান রিমন, ৩১৩ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নাদিরা সুলতানা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য গোলাম রব্বানি চিনু প্রমুখ।

এসময় পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণ চরদুয়ানি গ্রামের একই পরিবারের নিহত দুইজনের স্বজনদের ২০ টাজার টাকার দুইটি চেক ও অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন তারা।