সোমবার (৬ মে) বেলা আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়া জেলা স্টেডিয়ামে মাদকবিরোধী ও সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাদকমুক্ত বাংলাদেশের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে আমরা একের পর এক জেলায় ঘুরছি। যারা স্বেচ্ছায় সারেন্ডার করছে তাদের ভবিষ্যতের জন্য তাদের নিরাপদ জীবনের ব্যবস্থা আমরা করে দিচ্ছি। আজ যারা আসছেন তাদের এইটুকু বলবো, আপনারা যদি আবার পুনরায় সেই পেশায় না যান আমাদের সরকার আপনাদের যতখানি সহযোগিতা দেওয়া দরকার দেবে। আপনারা যাতে এই পেশা বাদ দিয়ে আরেক পেশায় যেতে পারেন সেদিকে আমরা খেয়াল রাখবো।’ তিনি বলেন, ‘আমরা মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনটিকে আরও কঠিন করেছি, আরও কঠোর করেছি। আমরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিয়ে এই আইন তৈরি করেছি। শুধু আইন তৈরি করে আমরা ক্ষান্ত নই। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর আজ সামাজিক আন্দোলন তৈরি করার জন্য প্রতিটি শহরে কাজ করছে।’
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম তানভীর আরাফাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য আ কা ম সরওয়ার জাহান বাদশা, কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের সংসদ সদস্য সেলিম আলতাফ জর্জ, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আসলাম হোসেন প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, সোমবার কুষ্টিয়া স্টেডিয়ামে মাদকবিরোধী ও সম্প্রীতি সমাবেশে ৬টি থানার তালিকাভুক্ত প্রায় দুই শতাধিক মাদক বিক্রেতা মাদক ব্যবসা করবেন না মর্মে শপথ করেন।