বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগের ওপর মানুষের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। তবে এতে মনোবল হারাবেন না, ধৈর্য হারাবেন না। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডনে চিকিৎসারত অবস্থায় আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেছেন, তিনি যতদিন বেঁচে আছেন ততদিন কেউ না খেয়ে থাকবেন না, ঘরহারা হবেন না। প্রত্যেক পরিবারকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘর করে দেওয়া হবে।’
আজ মঙ্গলবার (৭ মে) দুপুরে নোয়াখালীর সুবর্ণচর ও সদর উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও ক্ষতিগ্রস্ত তিন শত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবারসহ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলেন তিনি।
মাহবুব-উল আলম হানিফ আরও বলেন, ‘কোনও মানুষ গৃহহারা থাকবে না। সবাইকে পুনর্বাসিত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার সব সময় জনগণের সঙ্গে আছে। ঘূর্ণিঝড় ফণীর তাণ্ডবের সময় প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে থেকে সার্বক্ষণিক দেশের খোঁজখবর রেখেছেন এবং সবাইকে সমন্বয় করে এর প্রস্তুতি ও পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলার নির্দেশ দেন।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি এখন দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে। দুর্নীতি ও অপরাজনীতির কারণেই তারা ক্রমাগত জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তারা মিথ্যা ও অপপ্রচার করে আবার জনগণের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছে।’
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী সরকারি কর্মকর্তাদের ত্রাণ বিতরণে স্বচ্ছতা ও নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘ত্রাণ বিতরণে কোনও রকম অনিয়ম বা হরিলুট সরকার সহ্য করবে না।’
এসময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুর নাহার লাইলী, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশীদ, ত্রাণ ও সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামছুন্নাহার চাঁপা, নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম, জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস, পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ, সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু ওয়াদুদ ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম সরদারসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।