শহরের এই রেস্টুরেন্টগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে ফেনী ট্রাংক রোডের সামনে ইফতারি বাজার পরিণত হয় এক মিলনমেলায়। চলে জমজমাট বিকিকিনি। বাহারি সব খাবার নিয়ে বসা এ হোটেলগুলোতে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে ছাড়েন নানা হাঁকডাক।
রোজার শুরুতেই বাহারি ইফতারের পসরা সাজানো হয় ফেনীর এ প্রাচীন নবী হোটেল অ্যান্ড বিরানি হাউজ, যা থাকে মাসজুড়েই। হোটেল মালিক মো. নবী জানান, বাহারি ইফতারের মধ্যে শামি কাবাব ৪০-৫০, টিক্কা কাবাব ৩০-৪০, চাপালি কাবাব প্রতি পিস ৫০-৬০, মুরগির রোস্ট প্রতি পিস ১২০-২৫০, আস্ত মুরগি মোসাল্লাম পিস ৩৫০-৪০০ টাকা।
জিলাপির কেজি, খাসির মাংসের কিমা পরোটা ৬০-৭০ টাকা, গরুর মাংসের কিমা পরোটা ৪০-৫০ এবং ৫-১০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, সমুচা।
মো. কামাল উদ্দিন জানান জানান, বাহারি ইফতার তৈরিতে পুরান ঢাকার চকবাজারের মতো তাদের হোটেলের রয়েছে ঐতিহ্য। মোগল আমল থেকে চকবাজারের ইফতারের ঐতিহ্য গড়ে ওঠে। আমরা ফেনীর ক্রেতাদের কাছে সেই মানের ইফতার বিক্রি করছি। আমাদের ইফতারসামগ্রীতে কোনও প্রকার রং বা রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয় না। ইফতার তৈরিতে প্রতিদিন নতুন ও তাজা জিনিসপত্র ব্যবহার করে থাকি।