তিনি জানান, আওয়ামী লীগের পৌর শাখা কমিটির সহ-সভাপতি চথোয়াই মং মারমাকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় রবিবার নিহতের স্ত্রী মেসাচিং মারমা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) ১৩ জন শীর্ষ নেতাসহ অজ্ঞাত আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
তারা হলেন, জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কেএসমং মারমা, জেলা জেএসএস’র সভাপতি উছোমং মারমা, সাধারণ সম্পাদক ক্যবামং মারমা, জেএসএস নেতা উছোসিং, পাইনু মং মারমা, চসাথোয়াই মারমা, অংশৈ মং, অংথোয়াই চিং, বাচিংমং মারমা, খ্যইপাই মারমা, রাংথনসান বম, নিত্যলাল চাকমা, সুজন চাকমা।
মামলার বাদী মেসাচিং মারমা বলেন, ‘আমার স্বামীকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, নিহতের স্ত্রীর করা মামলায় আটক দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।