সদর উপজেলার কৃষক কামাল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমার পাঁচ বিঘা জমির ধান কাটতে সহায়তা করেছে ছাত্রলীগ। তারা ধান কেটে দেওয়ায় আমার উপকার হয়েছে। আমাকে আর দিনমজুরের জন্য টাকা খরচ করতে হয়নি।’
কমলনগরের কৃষক আবদুল কাদের বলেন, ‘ছাত্রলীগ আমার দুই বিঘা জমির ধান কেটে দিয়েছে। এতে আমি খুশি।’
জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল করিম নিশান বলেন, ‘কৃষকের জন্য ধান কাটতে পেরে আমাদের কাছে ভালোই লাগছে। লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগ কৃষকের পাশে দাঁড়াতে পারছে বলে আমরা খুশি।
লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন শরীফ বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের র্নিদেশনা মোতাবেক আমরা কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছি। এটা আমাদের জন্য সম্মানের। আশা করি, লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগ প্রতি বছর কৃষকের পাশে থাকবে। আগামী বছর থেকে আরও বেশি পরিমাণ জমির ধান কাটতে কৃষককে সহায়তা করা হবে। জেলার শতাধিক কৃষকের জমির ধান শুধু কাটা নয়, রোপণেও সহায়তা করা হবে।’