তানোর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাকিবুল ইসলাম বলেন, ওই বাড়িতে মোমেনা বেগম ও তার ছোট ছেলে মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী সখিনা বেগম ছিলেন। মোস্তাফিজুর ধান কাটার কাজে খুলনায় অবস্থান করছে। তিনি জানান, আটক পুত্রবধূ সখিনা বেগম নিজেই শাশুড়িকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার কথা স্বীকার করেছে। সে জানিয়েছে সকালে বাড়িতে ধান শুকানোর সময় মুরগি এসে ধান খায়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার শাশুড়ি মোমেনা বেগম তাকে মারপিট করেন। দুপুরে তার শাশুড়ি ঘুমিয়ে পড়েন। ওই সময় বাঁশ দিয়ে শাশুড়ির মাথায় আঘাত করলে তিনি মারা যান। এরপর বাড়ির আঙিনায় বড় চুলার গর্ত করে মোমেনাকে মাটি চাপা দেয়।
সখিনা বেগমের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, মাটি চাপা দেওয়ার পর পাশের বাড়ির গিয়ে তার জা মমিনুলের স্ত্রী রীনাকে বিষয়টি জানায়। এরপর বিষয়টি প্রতিবেশীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যায় স্থানীয় পৌরসভার কাউন্সিলর আবুল বাশারসহ প্রতিবেশীরা গিয়ে মোমেনা বেগমের দুই পুত্রবধূ সখিনা ও রীনাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।