র্যাব এ সময় তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির প্রায় ৫০ হাজার টাকা জব্দ করে। বিকালে সাইনবোর্ড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানায় র্যাব।
আটককৃতরা হলেন– রাজধানীর যাত্রবাড়ি এলাকার শরীফ, আহসান উদ্দিন জুয়েল, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকার রিপন শিকদার, জলিল মিয়া, সাকিল ইসলাম ভূঁইয়া, সিদ্দিক, মাহমুদুন নবী অপু, সিদ্ধিরগঞ্জের মাসুদ, ফারুক হোসেন, সোহেল, রূপগঞ্জের তারাবো এলাকার শরিফুল ইসলাম, রাজধানীর ডেমরা শনির আখড়া এলাকার মাসুদ ওরফে হাবিব এবং মিরপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার সোহরাব হোসেন সরদার।
প্রেস ব্রিফিংয়ে র্যাব-১১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলেপ উদ্দিন জানান, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে রমজান মাসের শুরু থেকেই র্যাব তৎপর রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাবের গোয়েন্দা দল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাস, ট্রাক, ট্যাংক লরি ও কাভার্ড ভ্যানসহ বিভিন্ন পরিবহনে চাঁদাবাজ চক্রের তথ্য সংগ্রহ করে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজ চক্রের এই ১৩ জনকে চাঁদা অদায়ের সময় হাতেনাতে আটক করে।
র্যাব আরও জানায়, আটকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পরিবহন চাঁদাবাজ চক্রের নেপথ্যে থেকে যারা নিয়ন্ত্রণ করছে তাদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেছে। নেপথ্যের গডফাদাররা যতোই প্রভাবশালী হোক তাদের কাউকেই র্যাব ছাড় দেবে না।