ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই ভিড় বাড়ছে মাগুরা শহরের বিপণি বিতানগুলোতে। ঈদ উপলক্ষে দোকানপাট সেজেছে রঙিন আলোকসজ্জায়। গভীর রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা।
দেশের বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ছাত্রছাত্রীরা নিজ নিজ বাড়িতে স্বজনের কাছে ফিরে এসেছেন। রোজার দিন হলেও শহরের চায়ের দোকানে চলছে তাদের তুমুল আড্ডা। পাশাপাশি ঈদের পোশাক কিনতে তারা বিপণি বিতানগুলোতে ভিড় করছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী তাসনিয়া জামান বলেন, ‘ঢাকায় মানুষের যে ভিড় দেখি,একই ভিড় এখন মাগুরায়ও দেখছি। বাবা-মা-ভাইবোনের সঙ্গে কেনাকেটা করতে বের হয়েছি। বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, এঠাই ভালো লাগছে বেশি।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সৈয়দ শ্বাশত বলেন, ‘বাড়িতে এসে বাবা-মায়ের সঙ্গে ইফতারও করা হচ্ছে না। বন্ধুদের সঙ্গে প্রতিদিনই দল বেঁধে ইফতার করছি।’
শহরের বিপণি বিতানগুলোতে নানা ধরনের আলোকসজ্জা করা হয়েছে। সন্ধ্যা থেকেই দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে। রাত ১২টা-১টা পর্যন্ত।
শহরের বেবি প্লাজায় তৈরি পোশাকের দোকান মালিক শরিফ হোসেন বলেন, ‘ইফতারির পর থেকে ভিড় শুরু হচ্ছে এবং তারাবি নামাজের পর তা আরও বেড়ে যায়। এবছর বেচাকেনা ভালোই হচ্ছে।’
দত্ত বস্ত্রালয়ের মালিক উজ্জ্বল দত্ত বলেন, ‘ঈদে শাড়ির চাহিদা থাকে প্রচুর। একদিকে যেমন জাকাতের শাড়ি, অন্যদিকে সব ধরনের দামি শাড়ির চাহিদা। আমরা অনেক রাত পর্যন্ত বেচাকেনা করছি।’
শহরের ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন শনিবার রাতে বলেন, ‘তারাবির নামাজ শেষে পরিবার নিয়ে কেনাকেটা করতে বের হয়েছি। ভেবেছিলাম এসময় একটু ফাঁকা থাকবে, কিন্তু এখনও সমান ভিড়।’
কলেজপাড়ার সালমা আক্তার জানান, কেনাকেটাই শেষ। তবে এবছর সব জিনিসের দাম বেশি।
মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদে মাগুরার মার্কেটগুলোতে আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। গভীর রাত পর্যন্ত মাগুরায় শান্তিপূর্ণভাবে বেচাকেনা চলছে।’