নড়াইলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, আটক ১

নড়াইল

নড়াইলের লোহাগড়ায় সুরাইয়া আক্তার নুপুর নামে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যাকাণ্ডের শিকার সুরাইয়া লোহাগড়া উপজেলার রায় গ্রামের হিরু মিয়ার মেয়ে ও স্থানীয় আর কে কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।

এ ঘটনায় সুরাইয়ার বাবা হিরু মিয়া বাদী হয়ে সোমবার (৩ জুন) দুপুরে লোহাগড়া থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মিনি বেগম নামে এক মহিলাকে আটক করেছে।

অভিযোগ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, স্কুলছাত্রী সুরাইয়া আক্তার নুপুরকে স্কুলে এবং প্রাইভেট পড়তে যাওয়া-আসার পথে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো রায় গ্রামের পাশের ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের ওবায়দুর রহমান ওরফে মানিক মেম্বারের ছেলে রবিউল ইসলাম রুবেল, হারুনের ছেলে রাইসুল এবং জালালসি গ্রামের চাঁন মিয়া সরদারের ছেলে আজাদ সরদার। গত ২৬ মে বিকাল ৪টার দিকে বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক সোহানা আক্তারের রায় গ্রামস্থ বাসায় প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে এজাহারনামীয় বখাটেরা জোরপূর্বক অস্ত্রের মুখে সুরাইয়াকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। এরপর লোহাগড়া পোদ্দারপাড়ার মিনি বেগমের বাড়িতে আটকে রেখে কয়েকদিন ধরে সুরাইয়াকে ধর্ষণ করে তারা। একপর্যায়ে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে বখাটেরা সুরাইয়াকে রবিবার (২ জুন) শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে পালিয়ে যায়।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকাররম হোসেন জানান, পুলিশ খবর পেয়ে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে লাশ উদ্ধার করে সোমবার ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। মেয়েটির গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের পর এটি হত্যাকাণ্ড না আত্মহত্যা তা জানা যাবে।