জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম ও ইসমাইল হোসেনের উপস্থিতিতে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। একই অভিযানে ১৫৬ জন ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
তৌহিদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বর্ষায় ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। সেই আশঙ্কা থেকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পর্যায়ক্রমে নগরীর সবগুলো ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’