বগুড়া ডিবি পুলিশের পরির্দ্শক আসলাম আলী জানান, প্রিয়া শেরপুর উপজেলার বিরইল গ্রামের মৃত পিয়ার উদ্দিনের মেয়ে। তিনি একই উপজেলার ছোনকা গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে রবিউল ইসলাম রনিকে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১০ লাখ টাকা চুক্তি করেন। নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর আগে ৩ জুলাই বুধবার সকাল ৭টার দিকে প্রিয়া অগ্রিম ৫০ হাজার টাকা নেন। রনি পুলিশ লাইন্স মাঠে প্রাথমিক বাছাইয়ে অংশ নেন। এ সময় পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা মাইকে ঘোষণা দেন, ‘মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। কাউকে টাকা দিয়ে প্রতারিত হবেন না।’ রনি প্রাথমিক বাছাই পর্বে উত্তীর্ণ হবার পর বিষয়টি পুলিশ সুপারকে অবহিত করেন। এরপর প্রতারক ওই নারীকে গ্রেফতারে ডিবি পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়। ডিবি পুলিশের একটি দল বুধবার রাত দেড়টার দিকে পুলিশ লাইনস এলাকা থেকে প্রিয়াকে গ্রেফতার করে। এ ব্যাপারে রনি সদর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ডিবি পুলিশ বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের কর্মচারী আনোয়ার হোসেন, গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার আনসার সদস্য জুলহাস উদ্দিন ও আহসানুল কবির নামে তিনজনকে গ্রেফতার করে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, কনস্টেবল পদে ৩ জুলাই প্রাথমিক বাছাই পর্বে এক হাজার ৬৬৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। বিশেষ কোটা, নারী এবং সাধারণ কোটায় ২৩৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রাথমিক বাছাই পর্বে উত্তীর্ণদের লিখিত, মৌখিক ও ডাক্তারি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।