ঘটনার শিকার ওই গৃহবধূ ও স্থানীয়রা সাংবাদিকদের জানান, অনেক আগে থেকেই এলাকার দুই বখাটে সজিব ও রাজ্জাক রাস্তাঘাটে চলাফেরার সময় গৃহবধূকে হয়রানি করে আসছিল। সোমবার সন্ধ্যায় ওই গৃহবধূ গোয়ালঘরে গেলে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা দুই বখাটে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। একপর্যায়ে মুখ চেপে ধরে গোয়ালঘরের পাশে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে তারা। এ সময় ওই দুই বখাটের সহযোগিতায় অজ্ঞাত কয়েকজন লোক পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল।
এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল ধামাচাপা দিতে ওই গৃহবধূকে বিচারের কথা বলে শান্ত করে এবং মঙ্গলবার রাতে সালিশ মীমাংসায় বসে তাকে (গৃহবধূ) ১০ হাজার টাকা চিকিৎসা বাবদ নিয়ে ঘটনাটি চেপে যেতে বলে। ভিকটিম এ প্রস্তাব মেনে না নিয়ে বুধবার সকালে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে যান এবং ঘটনাটি খুলে বলেন।
অভিযুক্ত ধর্ষক সজিব উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের হারুন-অর-রশিদের ছেলে ও রাজ্জাক মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রাজ্জাকের কাছে জানতে চাইলে অভিযোগ অস্বীকার করে জানায় , ‘সমাজে হেয় করতে একটি মহল আমার নামে মিথ্যা রটাচ্ছে।’ অভিযুক্ত সজিবের কাছে জানতে চাইলে বলে, ‘এরকম কোনও ঘটনাই ঘটেনি।’
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মো. ছিদ্দিকুর রহমান জানান, ‘ঘটনাটি শুনে জটিল মনে হওয়ায় তাকে (গৃহবধূ) আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেই।’
এ ব্যাপারে রাজাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হবে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।’