আহতরা হলেন– শ্রীমদ্দি গ্রামের আতরের নেসা (৬৫) ও বাদশা মিয়া (১৯), গোয়ারীভাঙা গ্রামের মোসাম্মৎ কুহিনুর বেগম (৫০), ইদ্রিস মিয়া (৬৫) ও অহিমন (৫০)। গুরুতর আহত শ্রীমদ্দি গ্রামের আতরের নেসাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সরফরাজ হোসেন খান জানান, শুক্রবার রাতে শ্রীমদ্দি গ্রামের দুজন এবং গোয়ারীভাঙা গ্রামের তিনজনসহ মোট পাঁচজন শেয়ালের কামড়ে মারাত্মকভাবে আহত হন। তারা রাতে এবং সকালে হাসপাতালে এসেছেন।