এর আগে গত বুধবার (৩ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানাধীন চৌমুহনী এলাকার কালারমার দিঘী এলাকা থেকে ওই কিশোরীকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার কর হয়। ছুটির পর কারখানা থেকে বের হয়ে সিএনজি অটোরিকশায় করে বাড়ি ফেরার পথে ওই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হন।
গ্রেফতার দুইজন হলেন- মামুন (২০) ও হেলাল (৩০)। এদের মধ্যে মামুন পেশায় সিএনজিচালক।
ওসি দুলাল মাহমুদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কারাখানা থেকে বাড়ি ফেরার পথে কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুইজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছি। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুই জন স্বীকার করেছে ওইদিন তারা দুইজনসহ তিনজন সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে স্পটে অপেক্ষা করেছিল। পরে কিশোরী এসে চন্দনাইশ যাওয়ার জন্য গাড়িতে উঠলে তাকে নির্জন রাস্তার পাশে একটি জমিতে নিয়ে ধর্ষণ করে তারা। ধর্ষণের ওই স্পট তারা পুলিশকে দেখিয়েছে।’
ঘটনার পর পুলিশ জানিয়েছিল, ভিকটিম কিশোরী বাড়ি থেকে একাই কারখানায় আসা-যাওয়া করতেন। বুধবার রাত ৮টায় কারখানা ছুটির পর মেয়েটি বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে কারখানা থেকে বের হন। এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় কালার মার দিঘী এলাকায় স্থানীয়রা দেখতে পান। পরে তার মোবাইল ফোন থেকে পরিবারের সদস্যদের খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।